মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের যৌথ অভিযানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে একটি প্রতারক চক্রের সাত সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিন দিনব্যাপী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কক্সবাজারের চকরিয়ার মো. তালিপ (২০), পেকুয়ার মো. জয়নাল (৩৪), রামুর মোহাম্মদ কাউছার (২৭), কক্সবাজার সদরের মো. মিরুয়ান (২৫), নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর আবুল কালাম (৬৭), টেকনাফের নুরুল আবছার (৩৩) এবং কুমিল্লার দাউদকান্দির মো. ইসমাইল মীর (২৪)।
মেহেরপুর ডিবি ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের ইনচার্জ প্রদীপ কুমার সানা জানান, গ্রেপ্তার তালিপ ও জয়নালের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন, ব্রিগেডিয়ার ও কর্নেল পরিচয় ব্যবহার করে ত্রাণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে কাউছার ও মিরুয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আবুল কালাম, নুরুল আবছার ও ইসমাইল মীরকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি প্রতারণার মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাতজনকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার সানা সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্মকর্তা কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে কেউ ফোন করে ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য, পিন বা গোপনীয় তথ্য চাইলে তা দেওয়া উচিত নয়। এ ধরনের সন্দেহজনক কল বা বার্তা পেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মেহেরপুর প্রতিনিধি 

















