চট্টগ্রাম নগরীর জনবহুল ও পানি সংকটাপন্ন এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি সহজলভ্য করতে ১০০টি পানির এটিএম বুথ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যায়ক্রমে এসব বুথ স্থাপন করা হবে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড কক্ষে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী এতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে শুধু একটি প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা নয়, বরং নগরীর পানি সেবাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে দুই প্রতিষ্ঠানের তিন বছরের যৌথ কার্যক্রম শুরু হলো।
তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষ, পানি সংকটে থাকা এলাকার বাসিন্দা এবং নিরাপদ খাবার পানির সীমিত সুবিধা পাওয়া জনগোষ্ঠীর জন্য এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পানির এটিএম বুথের মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজনের কাছাকাছি নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
ওয়াসা কর্তৃপক্ষের মতে, নগরীর অনেক বাসিন্দাকে প্রতিদিন দূরবর্তী স্থান থেকে পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়। নতুন ব্যবস্থার ফলে এসব মানুষের পানি সংগ্রহের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি নিরাপদ পানির প্রাপ্যতাও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী বলেন, সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হলো। এই অংশীদারত্বের সুফল নগরীর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) শারমিন আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) বিষ্ণু কুমার সরকার, সচিব শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সাজিয়া পারভীন, প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রুমন দে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর পার্থ হেফাজ সেখ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মো. তাহমিদুল ইসলাম এবং জোনাল লিড বাবুল বালাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি 


















