ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
নাব্যতা সংকটে ১৫ দিন ধরে বন্ধ ফেরি; ১,০৬৫ দিনে ৫৪১ বার বন্ধের অভিযোগ বাঁশখালীতে ৭ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রুবেলের ৫ উইকেট, সাব্বিরের ব্যাটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ এইচপি নেপালে বন্যার পানিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ, শতাধিক মানুষ উদ্ধারে অভিযান কলমাকান্দায় চারা গাছ উপড়ে ফেলা: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের নারী শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী হলে এগিয়ে যাবে দেশ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যশোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ আব্বাস-আলির বোলিং তাণ্ডবে প্রথম দিনেই চাপে ইংল্যান্ড অ্যানথ্রোপিকের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা বেআইনি: মার্কিন আদালত বার্ড ফ্লুর আশঙ্কায় ম্যাককুয়ারি দ্বীপ থেকে ২৪ কর্মী সরিয়ে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

পার্বত্য চট্টগ্রামে সব জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান

পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক সেমিনার হয়েছে।

 

আজ (শনিবার) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এম এ আমিন ও মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।

 

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী।

 

প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।

 

ড. মাহফুজ পারভেজ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এ অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

 

তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বাস্তবতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা প্রয়োজন।

 

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেন, ‘উপজাতি’ ও ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি সমার্থক নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ ও ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিষয়ে পৃথক সংজ্ঞা রয়েছে।

 

তিনি বলেন, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠী শিক্ষা, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতে চুক্তিটির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

 

সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

 

বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সব জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

নাব্যতা সংকটে ১৫ দিন ধরে বন্ধ ফেরি; ১,০৬৫ দিনে ৫৪১ বার বন্ধের অভিযোগ

পার্বত্য চট্টগ্রামে সব জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান

Update Time : ০৬:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক সেমিনার হয়েছে।

 

আজ (শনিবার) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এম এ আমিন ও মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।

 

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী।

 

প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।

 

ড. মাহফুজ পারভেজ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এ অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

 

তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বাস্তবতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা প্রয়োজন।

 

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেন, ‘উপজাতি’ ও ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি সমার্থক নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ ও ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিষয়ে পৃথক সংজ্ঞা রয়েছে।

 

তিনি বলেন, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠী শিক্ষা, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতে চুক্তিটির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

 

সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

 

বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সব জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।