ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
হংকংয়ে তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সমুদ্র, উপকূলে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা নেত্রকোণায় একযোগে মোবাইল কোর্ট: সার বিক্রিতে জরিমানা, উদ্ধার খাস জমি ধানমন্ডি ২৭-এর এপেক্স ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় ই-ভিসা ও ডাটা অ্যানালিটিক্স সংযুক্তির নীতিগত অনুমোদন মাদারীপুরে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আইফোন নিয়ে পালানোর অভিযোগ পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মেহেরপুরে যৌথ অভিযানে প্রতারক চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার কানাডার ওপর নতুন শুল্ক-নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করলেন ট্রাম্প ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি, বাড়ছে হাসপাতালের প্রস্তুতি

শিশু আছিয়া হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হাইকোর্টে

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের আপিলের শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ রায় দেন। হিটু শেখ নিহত শিশুটির বোনের শ্বশুর।

একই মামলায় বাকি তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাই সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেন আদালত। পরে ট্রাইব্যুনালের নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি আলোচিত ও নির্মম ঘটনার পর মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স এবং সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব মামলার শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য একটি আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই দলে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে রয়েছেন মাহবুবা তাসনিম আঁখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

হংকংয়ে তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের

শিশু আছিয়া হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হাইকোর্টে

Update Time : ০৫:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের আপিলের শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ রায় দেন। হিটু শেখ নিহত শিশুটির বোনের শ্বশুর।

একই মামলায় বাকি তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাই সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেন আদালত। পরে ট্রাইব্যুনালের নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি আলোচিত ও নির্মম ঘটনার পর মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স এবং সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব মামলার শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য একটি আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই দলে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে রয়েছেন মাহবুবা তাসনিম আঁখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।