ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি, বাড়ছে হাসপাতালের প্রস্তুতি ট্রাইব্যুনালের ১৬ মৃত্যুদণ্ডের রায়ে হাইকোর্টের কঠোর সমালোচনা বেনজীরসহ বিদেশে পালিয়ে থাকা আসামিদের ফেরাতে সর্বোচ্চ উদ্যোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৮১ কোটি টাকা উত্তোলন জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেখ হাসিনাকে মিডিয়ায় বক্তব্যের সুযোগ না দিতে ভারতের প্রতি আহ্বান মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণ ব্যয়ে সাত নির্দেশনা বাধ্যতামূলক গভীর রাতে সড়ক ঢালাই কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক মুন মুন জাহান লিজা কোটচাঁদপুরে বাসের ধাক্কায় হোটেল শ্রমিক নিহত, ঘাতক বাস শনাক্তে পুলিশের অভিযান

ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি, বাড়ছে হাসপাতালের প্রস্তুতি

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের শুরুতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে—এমন আশঙ্কায় তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচিটির উদ্বোধন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এরই মধ্যে দেশের সব জেলার সিভিল সার্জনদের সঙ্গে বৈঠক করে হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি জোরদার এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের সভাপতিত্বে জুম প্ল্যাটফর্মে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের সক্ষমতা অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ডেঙ্গু রোগী এবং আশপাশের ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য মশারির ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালে স্যালাইন, ওষুধ কিংবা ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটের ঘাটতি দেখা দিলে নিজস্ব বাজেট থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে এসব সামগ্রীর পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ থেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার। প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু কর্নার চালু করা হয়েছে। রোগীর চাপ বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাঠে একটি ফিল্ড হাসপাতালও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় সারাদেশের প্রায় ৩০০ চিকিৎসককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা বিনামূল্যে করার নির্দেশনাও রয়েছে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে তাদের মোট শয্যার ১০ শতাংশে বিনামূল্যে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু ও সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সহায়তায় ডেঙ্গু চিকিৎসার সমন্বিত গাইডলাইনও হালনাগাদ করা হয়েছে।

বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে। মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে এবং স্কুল হেলথ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সিভিল সার্জনদের সঙ্গে বৈঠক করে ডেঙ্গু রোগীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. জাকারিয়া মাহমুদও জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলোতে ইতোমধ্যে স্যালাইন ও ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হয়েছে এবং বর্তমানে কোনো ঘাটতি নেই।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিকভাবে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সবাইকে নিজ নিজ কর্মস্থল ও বাসাবাড়ি পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৩ জুন ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির প্রথম সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। মাঠপর্যায়ে জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে জাতীয় কমিটিকে জানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে টাস্কফোর্সটিকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩০ জনের।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়ার লক্ষ্যে রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি), আইইডিসিআর, এমআইএস ও হাসপাতাল শাখার পরিচালকদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ সেলও গঠন করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি, বাড়ছে হাসপাতালের প্রস্তুতি

ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি, বাড়ছে হাসপাতালের প্রস্তুতি

Update Time : ০৮:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের শুরুতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে—এমন আশঙ্কায় তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচিটির উদ্বোধন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এরই মধ্যে দেশের সব জেলার সিভিল সার্জনদের সঙ্গে বৈঠক করে হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি জোরদার এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের সভাপতিত্বে জুম প্ল্যাটফর্মে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের সক্ষমতা অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ডেঙ্গু রোগী এবং আশপাশের ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য মশারির ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালে স্যালাইন, ওষুধ কিংবা ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটের ঘাটতি দেখা দিলে নিজস্ব বাজেট থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে এসব সামগ্রীর পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ থেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার। প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু কর্নার চালু করা হয়েছে। রোগীর চাপ বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাঠে একটি ফিল্ড হাসপাতালও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় সারাদেশের প্রায় ৩০০ চিকিৎসককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা বিনামূল্যে করার নির্দেশনাও রয়েছে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে তাদের মোট শয্যার ১০ শতাংশে বিনামূল্যে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু ও সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সহায়তায় ডেঙ্গু চিকিৎসার সমন্বিত গাইডলাইনও হালনাগাদ করা হয়েছে।

বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে। মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে এবং স্কুল হেলথ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সিভিল সার্জনদের সঙ্গে বৈঠক করে ডেঙ্গু রোগীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. জাকারিয়া মাহমুদও জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলোতে ইতোমধ্যে স্যালাইন ও ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হয়েছে এবং বর্তমানে কোনো ঘাটতি নেই।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিকভাবে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সবাইকে নিজ নিজ কর্মস্থল ও বাসাবাড়ি পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৩ জুন ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির প্রথম সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। মাঠপর্যায়ে জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে জাতীয় কমিটিকে জানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে টাস্কফোর্সটিকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩০ জনের।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়ার লক্ষ্যে রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি), আইইডিসিআর, এমআইএস ও হাসপাতাল শাখার পরিচালকদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ সেলও গঠন করা হয়েছে।