ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করে নতুন এই সেবা চালু করা হয়েছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকা ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন জোড়ায়।
আজ ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের বর্ধিত রুটে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচি
নতুন রুটে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। অন্যদিকে, কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছেড়ে ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।
উভয় পথে যাত্রার নির্ধারিত সময় ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে প্রতি রোববার। এর রেক বেইজ, পানি সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম পরিচালিত হবে কক্সবাজারে।
১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ৪৬৭ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি থাকবে নির্ধারিত স্টেশনগুলোতে।
ঢাকা ও কক্সবাজার প্রান্তিক স্টেশন ছাড়াও ট্রেনটি বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রামে থামবে। নতুন সার্ভিস চালুর ফলে কুমিরা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আসনসংখ্যা ও ভাড়া
বাংলাদেশ রেলওয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটির আসনসংখ্যা ৭৩৬ ও ৭০৬টি। পূর্বনির্ধারিত ভাড়ার হার অনুযায়ী নতুন রুটেও ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
নতুন এই ট্রেন চালুর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের বিভিন্ন এলাকার যাত্রীরা সরাসরি রেলপথে কক্সবাজার যাওয়ার বাড়তি সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেলসেবার সক্ষমতাও বাড়বে।
পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেসের রুট বর্ধিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
সরকারের আন্তঃনগর রেলসেবা বৃদ্ধির পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই সেবার মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ মধ্যবর্তী বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের কক্সবাজারে যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















