ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মশকনিধনে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চসিক প্রশাসকের বৈঠক খুলনার লংমার্চ সফল করতে বেনাপোলে জামায়াতের গণমিছিল সাংবাদিকতায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে আইটি ক্যারিয়ার সল্যুশন ও সিআরএফের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শোবার ঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী-শাশুড়ি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীনের বড় জয় ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৮৮৬ ছাতকে গ্রামপুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল, পোশাক ও সরঞ্জাম বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ জনকে ধাত্রীবিদ্যা প্রশিক্ষণ, পেলেন সনদ ও চিকিৎসাসামগ্রী দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সততা-জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

টেকসই শান্তির জন্য নারী নেতৃত্ব বাড়ানোর আহ্বান আইরিন খানের

সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে টেকসই শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান।

একই সঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়াতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন বাংলাদেশের এই প্রতিনিধি।

নারীর নেতৃত্ব শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা তুলে ধরেন আইরিন খান। তিনি বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

একই সঙ্গে কিশোরী ও তরুণীদের নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে নারীদের প্রবেশাধিকার এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, সামাজিক সংহতি, কমিউনিটির সহনশীলতা এবং শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক বৈশ্বিক এজেন্ডা থাকলেও বাস্তবে শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব এখনো আশানুরূপ নয়। নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করে এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাঁদের অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়।
শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বক্তব্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা করেন আইরিন খান। পাশাপাশি দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারীদের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

মশকনিধনে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চসিক প্রশাসকের বৈঠক

টেকসই শান্তির জন্য নারী নেতৃত্ব বাড়ানোর আহ্বান আইরিন খানের

Update Time : ০৫:২২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে টেকসই শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান।

একই সঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়াতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন বাংলাদেশের এই প্রতিনিধি।

নারীর নেতৃত্ব শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা তুলে ধরেন আইরিন খান। তিনি বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

একই সঙ্গে কিশোরী ও তরুণীদের নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে নারীদের প্রবেশাধিকার এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, সামাজিক সংহতি, কমিউনিটির সহনশীলতা এবং শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক বৈশ্বিক এজেন্ডা থাকলেও বাস্তবে শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব এখনো আশানুরূপ নয়। নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করে এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাঁদের অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়।
শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বক্তব্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা করেন আইরিন খান। পাশাপাশি দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারীদের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।