ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত আগামী বছর শুরু হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী সেসিপ-সেসডিপির জনবল নিয়ে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন সীতাকুণ্ডে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত রাবিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষ সেমিনার ও কনসালটেশন সেশন অনুষ্ঠিত যুদ্ধের মধ্যেও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন ইউক্রেনের নির্যাতিত মা ও শিশুরা হরমুজ প্রণালীতে এডিএনওসির জাহাজে হামলা, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা মাদারীপুরে মাদ্রাসার পাশে বিস্ফোরণ, আহত ৫ শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৩০ জন

১৫ আগস্ট ঘিরে তৎপরতার অভিযোগে খুলনায় যুবলীগের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং জনসম্মুখে উপস্থিতি জানান দেওয়ার অপচেষ্টা প্রতিরোধে খুলনা মহানগর পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে শুক্রবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন—পাবলা কারিকরপাড়ার কাজী মুন্সির ছেলে পারভেজ হাসান (২৯) এবং কেশবলাল রোডের কবির বটতলার মো. কামরুজ্জামানের ছেলে মো. সাব্বির হোসেন সৈকত (২৮)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনই যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশের দাবি, শুক্রবার বিকেলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগের তিন সদস্য ১০ প্যাকেট তেহারি কিনে খালিশপুরের আবু নাসের মোড়, গোয়ালখালির মোড় এবং দৌলতপুর থানাধীন লেকভিউ রেস্টুরেন্টের সামনে কয়েকজনের মধ্যে বিতরণ করেন। এ কার্যক্রমের ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি পুলিশের নজরে এলে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় অপু নামে আরও একজন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুরাদুল ইসলাম বলেন, খাদ্য বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের মাধ্যমে ১৫ আগস্টকে ঘিরে জনমনে পূর্বস্মৃতি জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে পুলিশ মনে করছে। পুলিশের তৎপরতায় সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পরিচয় নয়, অপরাধের বিষয়টিই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল

১৫ আগস্ট ঘিরে তৎপরতার অভিযোগে খুলনায় যুবলীগের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

Update Time : ১২:২২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং জনসম্মুখে উপস্থিতি জানান দেওয়ার অপচেষ্টা প্রতিরোধে খুলনা মহানগর পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে শুক্রবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন—পাবলা কারিকরপাড়ার কাজী মুন্সির ছেলে পারভেজ হাসান (২৯) এবং কেশবলাল রোডের কবির বটতলার মো. কামরুজ্জামানের ছেলে মো. সাব্বির হোসেন সৈকত (২৮)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনই যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশের দাবি, শুক্রবার বিকেলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগের তিন সদস্য ১০ প্যাকেট তেহারি কিনে খালিশপুরের আবু নাসের মোড়, গোয়ালখালির মোড় এবং দৌলতপুর থানাধীন লেকভিউ রেস্টুরেন্টের সামনে কয়েকজনের মধ্যে বিতরণ করেন। এ কার্যক্রমের ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি পুলিশের নজরে এলে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় অপু নামে আরও একজন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুরাদুল ইসলাম বলেন, খাদ্য বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের মাধ্যমে ১৫ আগস্টকে ঘিরে জনমনে পূর্বস্মৃতি জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে পুলিশ মনে করছে। পুলিশের তৎপরতায় সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পরিচয় নয়, অপরাধের বিষয়টিই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।