ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বরগুনায় শুরু ৫ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব ‘ওই মানুষগুলোকে মরতে দিতে পারি না’: হামলার পরও বিমান বাঁচালেন পাইলট বাল্যবিবাহ ও গোপন বহুবিবাহ ঠেকাতে অনলাইনে আসছে বিবাহ-তালাক নিবন্ধন ডেঙ্গু প্রতিরোধে মুন্সীগঞ্জে কাটাখালী খালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান থাইল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সপ্তম বাংলাদেশ ৯০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১, পালিয়ে গেছে আরও দুইজন তাইজে হুথি-সরকারি বাহিনীর তীব্র লড়াই, ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৮০ হরমুজ প্রণালিতে দুই তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত বস্তুর হামলা, বাড়ছে নৌনিরাপত্তা উদ্বেগ শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে সাবেক এমপির বিরুদ্ধে মামলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার স্বর্ণসহ বিমানকর্মী ও যাত্রী আটক

ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন সরকারের

দেশে ব্যবসা পরিচালনা ও বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সহজ, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ‘ন্যাশনাল টাস্কফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’ গঠন করেছে সরকার।

সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে টাস্কফোর্সের সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিতে পরিবেশ, শিল্প ও আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের পাশাপাশি অর্থ ও পরিকল্পনা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, নৌপরিবহন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এফবিসিসিআই, এফআইসিসিআই, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিকেও সদস্য করা হয়েছে।

ব্যবসায়িক জটিলতা কমানো হবে

টাস্কফোর্সের অন্যতম দায়িত্ব হবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণে নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।

লাইসেন্স, অনুমোদন ও বিভিন্ন ছাড়পত্র গ্রহণের পাশাপাশি কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারি সেবার ক্ষেত্রে থাকা অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে সেগুলো সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারি সেবাকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সিঙ্গেল উইন্ডো, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন এবং অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে টাস্কফোর্স।

এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি বা জটিলতা দ্রুত সমাধান, প্রয়োজন অনুযায়ী আইন, বিধি, নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন ও প্রশাসনিক আদেশ সংশোধনের বিষয় চিহ্নিত করাও কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

ব্যবসায়ী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, অনিয়ম এবং সরকারি সেবা পেতে অযথা বিলম্বের বিষয়গুলোও টাস্কফোর্সের নজরদারির আওতায় থাকবে।

টাস্কফোর্সের কার্যক্রম ও সংস্কার উদ্যোগের অগ্রগতি প্রতি তিন মাস পরপর পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে টাস্কফোর্সের কার্যক্রম কার্যকর হয়েছে।

সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে দেশে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং ব্যবসার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনায় শুরু ৫ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব

ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন সরকারের

Update Time : ০৫:৪০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ব্যবসা পরিচালনা ও বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সহজ, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ‘ন্যাশনাল টাস্কফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’ গঠন করেছে সরকার।

সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে টাস্কফোর্সের সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিতে পরিবেশ, শিল্প ও আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের পাশাপাশি অর্থ ও পরিকল্পনা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, নৌপরিবহন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এফবিসিসিআই, এফআইসিসিআই, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিকেও সদস্য করা হয়েছে।

ব্যবসায়িক জটিলতা কমানো হবে

টাস্কফোর্সের অন্যতম দায়িত্ব হবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণে নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।

লাইসেন্স, অনুমোদন ও বিভিন্ন ছাড়পত্র গ্রহণের পাশাপাশি কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারি সেবার ক্ষেত্রে থাকা অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে সেগুলো সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারি সেবাকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সিঙ্গেল উইন্ডো, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন এবং অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে টাস্কফোর্স।

এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি বা জটিলতা দ্রুত সমাধান, প্রয়োজন অনুযায়ী আইন, বিধি, নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন ও প্রশাসনিক আদেশ সংশোধনের বিষয় চিহ্নিত করাও কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

ব্যবসায়ী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, অনিয়ম এবং সরকারি সেবা পেতে অযথা বিলম্বের বিষয়গুলোও টাস্কফোর্সের নজরদারির আওতায় থাকবে।

টাস্কফোর্সের কার্যক্রম ও সংস্কার উদ্যোগের অগ্রগতি প্রতি তিন মাস পরপর পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে টাস্কফোর্সের কার্যক্রম কার্যকর হয়েছে।

সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে দেশে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং ব্যবসার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।