ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
হংকংয়ে তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সমুদ্র, উপকূলে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা নেত্রকোণায় একযোগে মোবাইল কোর্ট: সার বিক্রিতে জরিমানা, উদ্ধার খাস জমি ধানমন্ডি ২৭-এর এপেক্স ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় ই-ভিসা ও ডাটা অ্যানালিটিক্স সংযুক্তির নীতিগত অনুমোদন মাদারীপুরে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আইফোন নিয়ে পালানোর অভিযোগ পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মেহেরপুরে যৌথ অভিযানে প্রতারক চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার কানাডার ওপর নতুন শুল্ক-নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করলেন ট্রাম্প ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি, বাড়ছে হাসপাতালের প্রস্তুতি

ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন সরকারের

দেশে ব্যবসা পরিচালনা ও বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সহজ, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ‘ন্যাশনাল টাস্কফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’ গঠন করেছে সরকার।

সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে টাস্কফোর্সের সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিতে পরিবেশ, শিল্প ও আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের পাশাপাশি অর্থ ও পরিকল্পনা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, নৌপরিবহন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এফবিসিসিআই, এফআইসিসিআই, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিকেও সদস্য করা হয়েছে।

ব্যবসায়িক জটিলতা কমানো হবে

টাস্কফোর্সের অন্যতম দায়িত্ব হবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণে নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।

লাইসেন্স, অনুমোদন ও বিভিন্ন ছাড়পত্র গ্রহণের পাশাপাশি কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারি সেবার ক্ষেত্রে থাকা অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে সেগুলো সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারি সেবাকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সিঙ্গেল উইন্ডো, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন এবং অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে টাস্কফোর্স।

এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি বা জটিলতা দ্রুত সমাধান, প্রয়োজন অনুযায়ী আইন, বিধি, নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন ও প্রশাসনিক আদেশ সংশোধনের বিষয় চিহ্নিত করাও কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

ব্যবসায়ী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, অনিয়ম এবং সরকারি সেবা পেতে অযথা বিলম্বের বিষয়গুলোও টাস্কফোর্সের নজরদারির আওতায় থাকবে।

টাস্কফোর্সের কার্যক্রম ও সংস্কার উদ্যোগের অগ্রগতি প্রতি তিন মাস পরপর পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে টাস্কফোর্সের কার্যক্রম কার্যকর হয়েছে।

সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে দেশে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং ব্যবসার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

হংকংয়ে তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের

ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন সরকারের

Update Time : ০৫:৪০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ব্যবসা পরিচালনা ও বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সহজ, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ‘ন্যাশনাল টাস্কফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’ গঠন করেছে সরকার।

সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে টাস্কফোর্সের সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিতে পরিবেশ, শিল্প ও আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের পাশাপাশি অর্থ ও পরিকল্পনা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, নৌপরিবহন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এফবিসিসিআই, এফআইসিসিআই, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিকেও সদস্য করা হয়েছে।

ব্যবসায়িক জটিলতা কমানো হবে

টাস্কফোর্সের অন্যতম দায়িত্ব হবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণে নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।

লাইসেন্স, অনুমোদন ও বিভিন্ন ছাড়পত্র গ্রহণের পাশাপাশি কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারি সেবার ক্ষেত্রে থাকা অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে সেগুলো সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারি সেবাকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সিঙ্গেল উইন্ডো, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন এবং অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে টাস্কফোর্স।

এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি বা জটিলতা দ্রুত সমাধান, প্রয়োজন অনুযায়ী আইন, বিধি, নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন ও প্রশাসনিক আদেশ সংশোধনের বিষয় চিহ্নিত করাও কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

ব্যবসায়ী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, অনিয়ম এবং সরকারি সেবা পেতে অযথা বিলম্বের বিষয়গুলোও টাস্কফোর্সের নজরদারির আওতায় থাকবে।

টাস্কফোর্সের কার্যক্রম ও সংস্কার উদ্যোগের অগ্রগতি প্রতি তিন মাস পরপর পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে টাস্কফোর্সের কার্যক্রম কার্যকর হয়েছে।

সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে দেশে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং ব্যবসার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।