ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
চীনের অর্থায়নে ৮০০ কোটি টাকায় আড়িয়াল খাঁ নদে নির্মিত হচ্ছে সেতু মাদারীপুরে ৫০ পিস ইয়াবাসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ৩ মাদ্রাসার গাছ কাটার অভিযোগে সুপারের বিরুদ্ধে ১২ দপ্তরে স্থানীয়দের স্মারকলিপি ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন শুরু, গড়ে উঠছে ‘নজরুল সরোবর’ টাঙ্গাইলে ৩১ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস আটক, পালিয়ে গেল চালক স্কুল থেকে ফিরে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল শিশুর ১০ এয়ারবাস কিনতে চুক্তিতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ পঞ্চগড়ে রিকশাচালক আল আমিন হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মুক্তা গ্রেপ্তার জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস আজ এশিয়ার বড় বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, বহুমুখীকরণের নতুন সম্ভাবনা

৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডিত কোনো আসামিকে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আপিলের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। এই সময় পার হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে কোনো আপিল গ্রহণের সুযোগ আইনে নেই। নির্বাহী বিভাগের কোনো আদেশ দিয়ে ট্রাইব্যুনাল আইনের এই বিধান পরিবর্তন বা অতিক্রম করা যায় না।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আপিল করার শর্তে তাকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দিয়েছিল। তবে আপিলের শর্তে আত্মসমর্পণের বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তার ভাষ্য, আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করার বিষয়ে সরকারের এখতিয়ার থাকলেও আপিলের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাহী আদেশের কোনো আইনগত ক্ষমতা নেই।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আবুল কালাম আযাদকে ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে ছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারেননি বা করেননি।

তিনি বলেন, আপিলের ক্ষেত্রে আইনের বিধান সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো আসামি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন—রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে আপিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে সেই আসামির পক্ষে আর আপিল দায়েরের সুযোগ থাকবে না।

শেখ হাসিনাসহ যেকোনো দণ্ডিত আসামির ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের অর্থায়নে ৮০০ কোটি টাকায় আড়িয়াল খাঁ নদে নির্মিত হচ্ছে সেতু

৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

Update Time : ০৮:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডিত কোনো আসামিকে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আপিলের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। এই সময় পার হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে কোনো আপিল গ্রহণের সুযোগ আইনে নেই। নির্বাহী বিভাগের কোনো আদেশ দিয়ে ট্রাইব্যুনাল আইনের এই বিধান পরিবর্তন বা অতিক্রম করা যায় না।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আপিল করার শর্তে তাকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দিয়েছিল। তবে আপিলের শর্তে আত্মসমর্পণের বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তার ভাষ্য, আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করার বিষয়ে সরকারের এখতিয়ার থাকলেও আপিলের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাহী আদেশের কোনো আইনগত ক্ষমতা নেই।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আবুল কালাম আযাদকে ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে ছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারেননি বা করেননি।

তিনি বলেন, আপিলের ক্ষেত্রে আইনের বিধান সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো আসামি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন—রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে আপিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে সেই আসামির পক্ষে আর আপিল দায়েরের সুযোগ থাকবে না।

শেখ হাসিনাসহ যেকোনো দণ্ডিত আসামির ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর।